ঝেজিয়াং প্রদেশ আমদানি বাণিজ্যে নতুন সুযোগ দেখছে
চীনে চারটি আন্তঃসীমান্ত রেলপথ অবশেষে এগিয়ে যেতে চলেছে।
ফেব্রুয়ারিতে, চীনের উত্তর, দক্ষিণ এবং পশ্চিমমুখী চারটি আন্তঃসীমান্ত রেলপথ যুগান্তকারী অগ্রগতি লাভ করেছে এবং সেগুলোর নির্মাণকাজ শুরু হতে চলেছে। চীন-থাইল্যান্ড হাই-স্পিড রেলওয়ের দ্বিতীয় পর্যায় থাই সরকার কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। ২০২৫ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়ে ২০৩১ সালে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ততদিনে কুনমিং থেকে ব্যাংকক পর্যন্ত সরাসরি একটি হাই-স্পিড রেল সংযোগ স্থাপিত হবে। চীন ও মঙ্গোলিয়া গানকিমাওদু-গাশুনসুখাইত বন্দর আন্তঃসীমান্ত রেলপথ নির্মাণের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। লাও কাই থেকে হ্যানয় এবং তারপর ভিয়েতনামের হাইফং পর্যন্ত আন্তঃসীমান্ত রেল প্রকল্পটি ভিয়েতনামের জাতীয় সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। চীন-কিরগিজস্তান-উজবেকিস্তান রেলওয়ে তার প্রাথমিক প্রকল্পের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে।স্ক্রু টার্মিনাল ব্লক সংযোগকারী, ফিনিক্স প্লাগ দিয়ে প্লাগযোগ্য এবং এফআরসি কেবল থাইল্যান্ডে এগুলো খুব জনপ্রিয়। এই পণ্যগুলোর জন্য এটি একটি ভালো সুযোগ।

এই আন্তঃসীমান্ত রেলপথগুলো চীনের বৈদেশিক সংযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এক দশকেরও বেশি সময় আগে প্রস্তাবিত হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন কারণে এগুলো কোনো অগ্রগতি লাভ করতে পারেনি। উদাহরণস্বরূপ, চীন-থাইল্যান্ড রেল সহযোগিতা প্রকল্পটি ১০ বছর ধরে চলমান থাকলেও এর প্রথম পর্যায় এখনও সম্পন্ন হয়নি; চীন ও মঙ্গোলিয়ার মধ্যে সংশ্লিষ্ট রেলপথ নিয়ে আলোচনা ১৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে; এবং ২০১৫ সালে প্রস্তাবিত চীন-ভিয়েতনাম রেল পরিকল্পনাটিও বাস্তবায়িত হয়নি। বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই বছর অর্জিত অগ্রগতি আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির পরিবর্তন, চীনের প্রভাব বৃদ্ধি এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে অর্থনৈতিক সংযোগ বৃদ্ধির কারণে সম্ভব হয়েছে। এটি পরিমাণগত পরিবর্তন থেকে গুণগত পরিবর্তনের একটি প্রক্রিয়া।
ভাবনা: এই চারটি আন্তঃসীমান্ত রেলপথের যুগান্তকারী অগ্রগতি চীনের আন্তঃসীমান্ত রেল বাণিজ্যের উন্নয়নে আরও গতি আনবে। নতুন পরিবহন কেন্দ্রগুলো স্থাপিত হওয়ায় চীনের বৈদেশিক বাণিজ্য আরও ব্যাপক পরিসর লাভ করবে।










